
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের প্রক্রিয়া জানালেন প্রসিকিউটর। বেসরকারি টেলিভিশনের একটি টক’শোতে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ যেটি গঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল আ্যক্ট ১৯৭৩ সেই আইনের আলোকে।
যার সর্বশেষ সংশোধনী এসেছে কিছুদিন আগেই। ট্রাইব্যুনাল সুনির্দিষ্ট কিছু অপরাধের অভিযোগে কাজ করছে। মানবতা বিরোধী, গণহত্যা রাজনৈতিক নেতাদের সিস্টেমেটিকভাবে নিপীড়ন করা হয় সেই সকল বিচারের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত এই ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের ৩ টি অংশ আছে
১. সেক্রেটারিয়েট
২. অফিস অফ দ্য চিফ প্রসিকিউটর
৩. স্বাধীন তদন্ত সংস্থা
এইসব মিলে পূর্ণাঙ্গ ট্রাইব্যুনাল ব্যবস্থা। এখানে যে কেউ অভিযোগ করতে পারে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সংস্থার কাছে যায়, তারা তদন্ত করার পরে এটি অফিস অফ দ্য চিফ প্রসিকিউটরের অফিসে যায়।
এরপর অফিশিয়ালভাবে মামলা আকারে করে এই অফিস। এভাবে পুরো প্রসেসটি আগায়। উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘ যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে উঠে এসেছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে
১৪’শো মানুষকে গণ-অভ্যুত্থানের সময় গুলি করে হত্যা করা হয়। এর ভিতর শিশু আছে ১২-১৩%। সবমিলিয়ে এই সবকিছুর নির্দেশ যে শেখ হাসিনা দিয়েছিলো তার তথ্যপ্রমাণ জাতিসংঘের কাছে আছে।